বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর ২০২১

| অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৮

মহানগর নিউজ :: Mohanagar News

প্রকাশের সময়:
১৬:৪৩, ২২ নভেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বেড়েছে নির্মাণ সামগ্রীর দাম, আটকে যেতে পারে অবকাঠামোর উন্নয়ন

প্রকাশের সময়: ১৬:৪৩, ২২ নভেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বেড়েছে নির্মাণ সামগ্রীর দাম, আটকে যেতে পারে অবকাঠামোর উন্নয়ন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম এলজিইডি ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান টিটু

৮ মাস আগে প্রতি টন ৬০ গ্রেড রডের মূল্য ছিল ৫০ থেকে ৫২ হাজার টাকা। কিন্তু বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৮২ থেকে ৮৪ হাজার টাকায়। একই সময়ে আমদানি করা পাথরের মূল্য ছিল প্রতি টন ৩ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ৬০০ টাকায়। প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের মূল্য ছিল ৩৬০ টাকা থেকে ৩৬৫ টাকা। বর্তমানে প্রতি ব্যাগ সিমেন্ট বিক্রি হচ্ছে ৩৯০ টাকা থেকে ৪২০ টাকায়। আগে প্রতি হাজার ইটের মূল্য ছিল ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা। বর্তমানে ওই পরিমাণ ইট বিক্রি হচ্ছে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকায়। বিটুমিন ১৫০ কেজি প্রতি ড্রাম বিক্রি হতো ৬ হাজার ৩০০ টাকায়। বর্তমানে তার মূল্য ১১ হাজার টাকা। তাই নির্মাণকাজে সরকারি শিডিউলের চেয়ে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ।

আজ সোমবার (২২ নভেম্বর) বেলা ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানায় চট্টগ্রাম এলজিইডি ঠিকাদার সমিতি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান টিটু। তিনি বলেন, ৮ মাসের ব্যবধানে নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বেড়েছে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ। এতে হুমকির মুখে চট্টগ্রামে সরকারের প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ। নির্মাণ সামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে ঠিকাদার সমিতিগুলো।

তিনি জানান, চট্টগ্রামে এলজিইডি, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জেলা পরিষদ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনসহ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে। এতে ঠিকাদার রয়েছেন প্রায় আড়াই হাজার। তারা সবাই সরকারের উন্নয়ন কাজের অংশীদার। সকল পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় চলমান প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কিছু কাজ ২০১৪ সালের এবং কিছু প্রকল্পে ২০১৮ সালের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। বর্তমান বাজার মূল্য ওই সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। সব মিলিয়ে বর্তমানে নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য গড়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ বেড়েছে। এরমধ্যে প্রকল্পের মূল্য থেকে সরকারকে সাড়ে ১২ শতাংশ ভ্যাট ও ইনকাম ট্যাক্স দিতে হয়। বেড়েছে মিস্ত্রি খরচও। নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে ঠিকাদারদের পথে বসার উপক্রম হয়েছে। বিষয়টি আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েছি। তারা আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রণালয়ে কথা বলে এ ব্যাপারে একটি সমাধানের চেষ্টা চালাবেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

মহানগর নিউজ/এসবি/আরসি