বুধবার ১৯ জানুয়ারি ২০২২

| মাঘ ৬ ১৪২৮

মহানগর নিউজ :: Mohanagar News

প্রকাশের সময়:
১০:৪১, ১২ জানুয়ারি ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম করোনার ‘হটস্পট’, হাসপাতালে রোগী বাড়ছে

প্রকাশের সময়: ১০:৪১, ১২ জানুয়ারি ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম করোনার ‘হটস্পট’, হাসপাতালে রোগী বাড়ছে

করোনা টেস্ট

চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন নতুন ভ্যারিয়েন্টে  সংক্রমণ বাড়ছে। নতুন বছরের প্রথমদিন থেকে সংক্রমণ বাড়া শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৪০ শতাংশ। গত চারদিনে ৬৫২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ হার চারমাস ধরে নিম্নমুখী থাকলেও জানুয়ারিতে ঊর্ধ্বমুখী। চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে ১১ জানুয়ারি এ তথ্য জানা গেছে। 

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, শনাক্তের হার বাড়তে থাকলে মৃত্যুহারও বাড়তে পারে। তাই তারা কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছেন। মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মেনে সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে, ফলে সংক্রমণের হার বাড়ছে।

চমেক সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে কোভিড ওয়ার্ডে দৈনিক রোগী ভর্তির সংখ্যা ছিল ১০ থেকে ১২ জনের কাছাকাছি।  এই সংখ্যা কয়েকদিনে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ জনে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা অনুযায়ী, টানা দুই সপ্তাহ যদি সংক্রমণ পাঁচের নিচে থাকে, তখন বোঝায় যে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন আর নেই। তখন হয়ে যায় গুচ্ছভিত্তিক সংক্রমণ বা ক্লাস্টার ট্রান্সমিশন। কিন্তু, যদি আবার সংক্রমণের হার বেড়ে পাঁচের বেশি হয়ে যায়, তখন আবার কমিউনিটি ট্রান্সমিশনে চলে যাবে। যে হারে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে আবারও কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়েছে। 

চট্টগ্রামের ১৩টি ল্যাবে ১ হাজার ৭৯০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২২২ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৭৪ জনই চট্টগ্রাম নগরের বাসিন্দা। বাকি ৪৮ জনের মধ্যে সাতকানিয়ার ৬, বাঁশখালী ২, পটিয়া ১, বোয়ালখালীতে ১, রাঙ্গুনিয়ায় ৫, রাউজানে ৮, ফটিকছড়িতে ৮, হাটহাজারীতে ১২, সীতাকুণ্ডে ২ ও মিরসরাই  উপজেলার ৩ জন বাসিন্দা রয়েছেন।
চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩ হাজার ৬৩২ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে নগরের বাসিন্দা ৭৫ হাজার ১২৫ জন। বাকি ২৮ হাজার ৫০৭ জন বিভিন্ন উপজেলার।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৩৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭২৫ জন নগরের, বিভিন্ন উপজেলায় মৃত্যু হয়েছে ৬১০ জনের।

কেডি